Back

হাজীগঞ্জে ছেলেকে জিম্মি করে জমি রেজিস্ট্রি করে নেয়ার অভিযোগ

হাজীগঞ্জে ছেলেকে মারধর ও জিম্মি করে জমি রেজিষ্ট্রি করে নেওয়ার অভিযোগে হাজীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে মো. সফিউল্যাহ্ নামের এক ভূক্তভোগীর বাবা। এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্তপূর্বক ঘটনার সত্যতা জানার চেষ্টা করছে বলে জানান, হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ কাওসার আলম ভূইয়া।

থানায় দায়ের করা অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের কাজীরগাঁও গ্রামের মৃত হাফেজ আহমেদের ছেলে সফিউল্যাহ কাজিরগাঁও মৌজার ৮৭৮ খতিয়ানভূক্ত ৯৮৮ দাগে এক শতক ও ৯৯০ আধা শতক ভূমির মালিক। ওই জমি ক্রয়ের প্রস্তাব দেন, একই গ্রামের নজরুল ইসলাম। ওই সময়ে তিনি খারিজ-খতিয়ান ছাড়া বিক্রি করবেন না বলে জানান।

পরবর্তীতে পৌরসভাধীন মকিমাবাদ এলাকার হারুন , মহসিন ও মধু’সহ অজ্ঞাত ৫/৬জন মিলে ওই সম্পত্তির খারিজ-খতিয়ান করে দিবে উল্লেখ করে ভূক্তভোগীর মুঠোফোন জোরপূর্বক নিয়ে যায় এবং খারিজ খতিয়ান করে নেন। এরপর গত মঙ্গলবার সফিউল্যাহর বাড়িতে উপস্থিত হয়ে তার ছেলেকে মারধর করা হয়।

সফিউল্যাহ্ বলেন, ওইদিন (মঙ্গলবার) আমাকে ও আমার ছেলে তোহাকে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়ে সিএনজিতে করে সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে নিয়ে আসা হয়। তখন আমি নিরুপায় হয়ে এবং আমার ছেলের জীবন বাঁচাতে সাবরেজিষ্ট্রি অফিসে গিয়ে পূর্বে সৃজনকৃত দলিলে স্বাক্ষর করি। এর আগে তারা আমাদের কাগজপত্র নিয়ে নেয়।

এ বিষয়ে বিবাদী হারুন বলেন, নামজারি’সহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে দেওয়ার শর্তে তিনি আমার কাছে জায়গা বিক্রি করবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন। এরপর আমি ওনার সাথে বায়না করে নামজারি’সহ প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র সংগ্রহ করি। কিন্তু নামজারির পর হঠাৎ করে তিনি বায়নার চেয়ে বেশি টাকা দাবী করেন।

বিষয়টি সমধানের লক্ষ্যে গত মঙ্গলবার সফিউল্যার বাড়িতে লোকজনকে নিয়ে বসি। এসময় জায়গা বিক্রির কথা জানাজানি হলে তার ছেলের (তোহা) কাছে টাকা পাবে, এমন কয়েকজন পাওনাদার তার বাড়িতে উপস্থিত হন। পরে উপস্থিত সকলের অনুরোধে বাড়তি টাকা দিয়ে আমি জায়গা কিনতে রাজি হই।

এদিকে অন্য নামীয় বিবাদীরা জানান, সফিউল্যার ছেলে ত্বোহা বিভিন্ন সময়ে আমাদের কাছ থেকে’সহ অনেক মানুষের কাছ থেকে টাকা হাওলাত নিয়েছে। পরে জমি বিক্রি করে এই টাকা পরিশোধ করবে বলে জানান। ওই সময়ে আমরাসহ বেশ কয়েকজন পাওনাদারের উপস্থিতিতে তিনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যান এবং দলিল করে দেন।

অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাওসার আলম ভূইয়া জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

The full article is being collected. Available text is shown for now.

Back
Share this story

Get the daily newsletter →

Ask globalread.info

AI news & website helper
What would you like to explore?

I can find stories, explain headlines, or help you use globalread.info.

AI can make mistakes. Check the linked sources. Questions are sent to OpenAI.