ফিনটেক অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ দুটি স্বীকৃতি পেলো গার্ডিয়ান

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বাংলাদেশ ফিনটেক অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ ‘ইন্স্যুরেন্স ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।
প্রতিষ্ঠানটির অটোমেটেড ক্লেইম প্রসেসিং সিস্টেম (এসিপিএস) এর জন্য এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, গার্ডিয়ান এর আরেকটি উদ্যোগ ‘অ্যাক্সিডেন্টাল কেয়ার’ অর্জন করেছে সম্মানজনক স্বীকৃতি বা অনারেবল মেনশন। দ্রুত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় বিমাদাবি নিষ্পত্তি এবং স্বল্পমেয়াদী দুর্ঘটনাজনিত ইন্স্যুরেন্স সেবা সহজলভ্য করার মাধ্যমে এ খাতকে আরও এগিয়ে নিতে উদ্যোগ দুটি গ্রহণ করেছিলো গার্ডিয়ান। গার্ডিয়ানের অটোমেটেড ক্লেইম প্রসেসিং সিস্টেমের (এসিপিএস) মাধ্যমে দাবি নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া আরও সহজ ও দ্রুত হয়েছে। আবেদন জমা, যাচাই, মূল্যায়ন, অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও নিষ্পত্তির সব ধাপ একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা হয়েছে। এতে আগের তুলনায় দাবি নিষ্পত্তি হচ্ছে অনেক দ্রুত। পাশাপাশি কাগজপত্রের ব্যবহার ও ম্যানুয়াল কাজ কমেছে। গ্রাহকেরা এখন ডিজিটাল মাধ্যমেই তাঁদের দাবির অগ্রগতি দেখতে পারছেন।
২০২৫ সালের আগস্ট থেকে চলতি বছরের আগস্ট পর্যন্ত ২ লাখ ৬১ হাজারের বেশি দাবি নিষ্পত্তি করেছে গার্ডিয়ান। এসব দাবির মোট আর্থিক মূল্য ছিল ৫৫৭ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে ৪৩ হাজার ৩২টি দাবি জমা দেওয়ার দিনেই নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া, ৯৭ শতাংশ দাবি নিষ্পত্তি হয়েছে এক সপ্তাহের মধ্যে। অন্যদিকে, ‘গার্ডিয়ান অ্যাক্সিডেন্টাল কেয়ার’ উদ্যোগের মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদি দুর্ঘটনা ইন্স্যুরেন্স সেবাকে আরও সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করেছে গার্ডিয়ান। কনসার্ট, কনফারেন্সসহ বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণকারীদের জন্য দুর্ঘটনা ইন্স্যুরেন্স সুবিধা সহজলভ্য করতে টিকিট বুকিং ও রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি ইন্স্যুরেন্স কভারেজ যুক্ত করেছে গার্ডিয়ান। মাত্র ১০ টাকা থেকে শুরু হওয়া এই সেবায় ২৪ ঘণ্টার জন্য দুর্ঘটনাজনিত নির্ধারিত স্বাস্থ্য ও লাইফ ইন্স্যুরেন্স সুবিধায় সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত কভারেজ পাওয়া যায়। স্বীকৃতির বিষয়ে গার্ডিয়ান লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শেখ রকিবুল করিম, এফসিএ, বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ইন্স্যুরেন্স সেবা সবার জন্য আরও সহজলভ্য ও নির্ভরযোগ্য করে তোলা। এসিপিএস-এর মাধ্যমে আমরা দাবি নিষ্পত্তির অভিজ্ঞতা আরও সহজ করেছি। অন্যদিকে, গার্ডিয়ান অ্যাক্সিডেন্টাল কেয়ার দুর্ঘটনাজনিত ইন্স্যুরেন্স সেবাকে সাশ্রয়ী করার একটি প্রচেষ্টা।
এমন সম্মাননা আমাদের উদ্ভাবনী ইন্স্যুরেন্স সেবা প্রদানে উৎসাহ যোগায়, যার মাধ্যমে আমরা এ খাতে গ্রাহকের আস্থা বাড়াতে পারি।” বাংলাদেশ ফিনটেক অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ এই স্বীকৃতি গার্ডিয়ানের ডিজিটাল উদ্ভাবন ও গ্রাহকসেবার মান উন্নয়নে ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রতিফলন। প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্স্যুরেন্স সেবাকে আরও সহজ, নির্ভরযোগ্য ও মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে কাজ করে যাচ্ছে গার্ডিয়ান।
খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
>>>>>>>>>>>>>>
ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org
এই লেখাটি ফিনটেক অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এ দুটি স্বীকৃতি পেলো গার্ডিয়ান সর্ব প্রথম প্রকাশিত হয়েছে The Dhaka Times এ।
The full article is being collected. Available text is shown for now.